তথাকথিত নোবেল জয়ী ড. ইউনূস ও গ্রামীণফোনের মালিকানা সংস্থা টেলিনরের সহায়তায় সরকারবিরোধী ছাত্র আন্দোলন!

নিউজ ডেস্ক: উচ্চাকাঙ্ক্ষা থেকে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখল করার পাঁয়তারা বাংলাদেশে বহুকাল ধরে চলে আসছে। গতানুগতিক রাজনৈতিক দল ও ক্ষমতাসীন সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র চলমান রয়েছে। কখনো ব্যক্তি বিশেষ আবার কখনও বহুজাতিক কোম্পানিও ব্যবসার আড়ালে বাংলাদেশের রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে। এবার তথাকথিত শান্তিতে নোবেল বিজয়ী গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. ইউনূস ও টেলিকম কোম্পানি গ্রামীণফোনের সিংহভাগ শেয়ারের মালিক টেলিনরের বিরুদ্ধে দেশের অভ্যন্তরে রাষ্ট্রীয় বিশৃঙ্খলা ও অস্থিরতা সৃষ্টির অভিযোগ পাওয়া গেছে।

জানা গেছে, তথাকথিত নোবেল জয়ী ড. ইউনূস ও টেলিনর দীর্ঘমেয়াদে বাংলাদেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছে। দেশের স্থিতিশীলতাকে নষ্ট করে সরকারকে চাপে ফেলতে ড. ইউনূস ও টেলিনরের সহায়তায় ডাকসুর ভিপি নুরুল হক নুর বা নুরের মাধ্যমে চক্রান্ত করা হচ্ছে। ছাত্র সমাজে ভিপি নুরের জনপ্রিয়তাকেই পুঁজি করে ছাত্রসমাজকে রাষ্ট্রের বিপক্ষ শক্তি হিসেবে দাঁড় করিয়ে দেশের অভ্যন্তরে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করতে অত্যন্ত কৌশলে কয়েক দফায় ভিপি নুরের উপর তাদেরই লোক দ্বারা হামলা ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটানো হয়। আবার উক্ত ইস্যুতে আর্থিক সহায়তা ও পৃষ্ঠপোষকদের ভূমিকায় তারা সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের আন্দোলনমুখী করে তুলছে। পছন্দমতো পুতুল সরকার প্রতিষ্ঠা করে নিয়ম-নীতি ছাড়াই একচেটিয়া ব্যবসা করে কোটি কোটি টাকা লুটপাট করার জন্যই বিভিন্ন কৌশলে চেষ্টা চালাচ্ছে ড. ইউনূস ও বহুজাতিক কোম্পানি টেলিনর। ছাত্র-প্রতিনিধিদের উপর হামলা করিয়ে সরকারকে দোষারোপ করতে অত্যন্ত সুচারুভাবে এসব ষড়যন্ত্র সফল করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

এদিকে গোপন একটি সূত্র বলছে, প্রায় ২৭টি খাতে ১২ হাজার ৫৮০ কোটি (বিটিআরসির ৮ হাজার ৪৯৪ কোটি ও এনবিআরের ৪ হাজার ৮৬ কোটি) টাকা পাওনা হিসেবে দাবি করে গ্রামীণফোন লিমিটেডকে গত ২ এপ্রিল চিঠি দেয় বিটিআরসি। এর পর থেকেই ছাত্রসমাজের উপর বিভিন্ন জায়গায় হামলার ঘটনা ঘটতে থাকে। সরকারকে চাপে রাখতে এবং দেশের অভ্যন্তরে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি করতে ড. ইউনূস এসব করছেন। আর তাকে আর্থিক সহায়তা দিচ্ছে টেলিনর। মূলত সরকারের পতন ঘটিয়ে পুতুল সরকার বসানোর সুপ্ত বাসনা পূরণ করতে ড. ইউনূস ও টেলিনরের ১২,৫৮০ কোটি টাকা পরিশোধ না করার ষড়যন্ত্র থেকেই ভিপি নুরের উপর আঘাতকে কেন্দ্র করে তারা ছাত্র আন্দোলনে মদদ ও আর্থিক সহায়তা দিচ্ছে বলে সূত্রে জানা গেছে।

এছাড়া মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে টেলিনর কর্তৃক লিগ্যাল নোটিশ পাঠানোর ঘটনা ও বিগত সময়ে ড. ইউনুসের কর্মকাণ্ড থেকে এ বিষয়ে পরিষ্কার ধারণা পাওয়া গিয়েছে। তাদের ষড়যন্ত্রের বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক রাজনৈতিক বিশ্লেষক বলেন- “দেশের স্বার্থ বিকিয়ে দিয়ে নিজ স্বার্থ চরিতার্থ করতে ছাত্র সমাজকে ব্যবহার করে কেউ যদি স্থিতিশীল একটি সরকারকে উৎখাত করতে চায়, এর চেয়ে জাতির জন্য বড় দুর্ভাগ্য আর কিছু নেই। এরূপ জ্ঞানপাপী ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে সকলের বয়কট করা উচিত।”

Comments..
sidebar
আগের সংবাদ
পরের সংবাদ