আজ জাতীয় কবির ৪২তম মৃত্যুবার্ষিকী

বাংলা কবিতার বিদ্রোহী জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের আজ ৪২তম মৃত্যুবার্ষিকী। বাংলা কবিতায় তিনি এনেছিলেন সম্পূর্ণ নতুন এক সুর, ছিলেন মানবতার উচ্চকণ্ঠ প্রচারক, গানে মিশিয়েছিলেন বিচিত্র ধারা। ১৩৮৩ বাংলা সনের ১২ ভাদ্র ঢাকার তৎকালীন পিজি হাসপাতালে (বর্তমানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়) তিনি শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন।

নজরুলের চেতনা ও আদর্শ বাঙালির জীবনে চিরন্তন, বাংলাদেশের উত্থান-পতনময় সংগ্রামী ইতিহাসে অবিস্মরণীয়। নির্মম দারিদ্র্য থেকে অসামান্য প্রতিভায় তিনি অভিষিক্ত হয়েছেন মহাপুরুষের আসনে। আজীবন সংগ্রাম করেছেন শোষিত মানুষের মুক্তির জন্য। সোচ্চার ছিলেন সাম্প্রদায়িকতা, ধর্মান্ধতা, কুসংস্কার, কূপমণ্ডূকতার বিরুদ্ধে। তরুণদের কাছে তিনি বিদ্রোহের অনন্ত প্রতীক।

নজরুল ইসলামের জন্ম ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ (১৮৯৯ খ্রিষ্টাব্দের ১৪ মে) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে। স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কবিকে বাংলাদেশে নিয়ে এসে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাঁর বসবাসের ব্যবস্থা করেন।

কর্মসূচি: নজরুলের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বিভিন্ন সংগঠন নানা কর্মসূচি নিয়েছে। বিটিভিসহ বেসরকারি চ্যানেলগুলোও বিভিন্ন অনুষ্ঠান সম্প্রচার করছে।

নজরুল ইনস্টিটিউট জাতীয় জাদুঘরে নজরুল পুরস্কার প্রদান ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। আজ বিকেল সাড়ে চারটায় জাতীয় জাদুঘরের সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানে নজরুলসংগীতে অবদানের জন্য খায়রুল আনাম এবং নজরুলসংগীত গবেষণায় অবদানের জন্য অধ্যাপক রশিদুন্ নবীকে ‘নজরুল-পুরস্কার ২০১৭’ দেওয়া হবে।

Comments..
sidebar
আগের সংবাদ
পরের সংবাদ