গাজীপুর ১৫ নং ওয়ার্ডের বিএনপির কাউন্সিলর প্রার্থী ফয়সাল আহ‌মেদ সরকার এর সেক্স ভিডিও ভাইরাল নিয়ে তোলপাড় চলছে

গাজীপুর ১৫ নং ওয়ার্ডের বিএনপির কাউন্সিলর প্রার্থী ফয়সাল আহ‌মেদ সরকার এর সেক্স ভিডিও ভাইরাল নিয়ে তোলপাড় চলছে।

শুক্রবার (২২ জুন) রাত ৯টার দিকে ১৫ নং  ওয়ার্ডের বাসিন্দা আরিফুল ইসলাম নিজের ফেসবুকে চার বারের বেশি ওই ভিডিও পোস্ট করেন।

আরিফুল ইসলাম এর ফেসবুক প্রোফাইল থেকে নেওয়া স্ক্রিনশট দুই মিনিট ৩২ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে বিএনপির কাউন্সিলর প্রার্থী ফয়সাল আহ‌মেদ সরকারকে এক তরুণীর সঙ্গে অন্তরঙ্গ মুহূর্তে দেখা যায়। বি ডি পলিটিক্স কাছে এমন ভিডিও রয়েছে। সম্পাদনা করেও তা প্রকাশ করা সম্ভব নয়।

তিনি ২৬ জুন অনুষ্ঠিতব্য গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপির কাউন্সিলরপ্রার্থী ।

রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে জমা দেওয়া নির্বাচনী হলফনামা ঘেঁটে দেখা গেছে,বিএনপি মনোনীত কাউন্সিলর প্রার্থী মো. ফয়সাল আহ‌মেদ সরকার ও তার স্ত্রী দু’জনই সম্পদশালী। তবে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর চেয়ে বিএনপি প্রার্থীর সম্পদের পরিমাণ অনেক বেশী । হলফনামায় ফয়সাল আহ‌মেদ সরকারের বার্ষিক আয় ১০ লাখ ৯৭ হাজার টাকা ও তার ওপর যারা নির্ভরশীল, তাদের বার্ষিক আয় ৬ লাখ ৯১ হাজার টাকা দেখিয়েছেন। নিজের অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ৬৪ লাখ টাকা ও স্ত্রীর সম্পদের পরিমাণ ১৯ লাখ টাকা। এর বাইরে দু’জনের ৫৩ তোলা স্বর্ণ, ইলেকট্রনিক সামগ্রী ও আসবাবপত্র রয়েছে। এছাড়া ফয়সাল আহ‌মেদ সরকার তার নিজের নামে একটি পিস্তল ও একটি শর্টগান এবং স্ত্রীর নামে একনলা বন্দুক রয়েছে বলে উল্লেখ করেন হলফনামায়। স্থাবর সম্পদের মধ্যে ফয়সাল আহ‌মেদ সরকারের নামে ৫৯৮ শতাংশ ও তার স্ত্রীর নামে ৩০৫ শতাংশ জমি রয়েছে। আর স্ত্রীর নামে রয়েছে একটি চারতলা বাড়ি। হাসান সরকারের ঋণ রয়েছে ২৬ লাখ ৭৪ হাজার টাকা।

হলফনামায় আরও দেখা গেছে, ফয়সাল আহ‌মেদ সরকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএ পাস করেছেন। তার বিরুদ্ধে ঢাকার তেজগাঁও থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি ও টঙ্গী থানায় ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা চলমান রয়েছে। দুটি মামলার একটি বিচারাধীন ও আরেকটি তদন্তাধীন রয়েছে। এ দুটি মামলা আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০১৫ ও ২০১৮ সালে দায়ের করা হয়েছে। এর আগে ১৯৯৩ ও ১৯৯৯ সালে তার নামে তিনটি মামলা হয়েছিল। এর মধ্যে দুটিতে বেকসুর খালাস ও একটি খারিজ হয়েছে।

সাংবাদিক রা ফয়সাল আহ‌মেদ সরকার কে প্রশ্ন করলে উনি নিম্নরূপ উত্তর দেন ঃ

আপনার সাথে ভিডিওতে যে নারীকে দেখা যাচ্ছে তাকে চেনেন কি-না জানতে চাইলে তিনি বলেন, মেয়েটাকে চিনি না। কোন এলাকার তাও জানি না। ভিডিওটি একবার দেখেছি তো নিজের কাছেও একটু খারাপ লাগছে। তার মুখটা চিনতেছি না।

ভিডিওতে আপনার চেহারা তো ষ্পষ্ট, এ বিষয়ে কি বলবেন, হ্যাঁ ষ্পষ্ট ঠিক আছে। ভিডিওটা কিভাবে তৈরী করা হয়েছে বিষয়টি বুঝতেছি না।

ভিডিওটি পাইরেসি করে তৈরী করা হয়নি মনে হচ্ছে এমন কথার জবাবে তিনি বলেন, বিষয়টি আমার বোধগম্য হচ্ছে না। ভিডিওতে পাইরেসি করে অন্যের স্থলে আমার চেহারা বসানো হয়েছে বলে ধারণা করছি।

আপনার স্ত্রী এই ভিডিওর বিষয়ে জানে কি-না জানতে চাইলে তিনি বলেন, আজ (শুক্রবার) সারাদিন স্ত্রীর সঙ্গে দেখা হয়নি। নির্বাচনী মাঠে ছিলাম। স্ত্রী প্রচারণার কাজে ব্যস্ত ছিল। সে ভিডিও দেখেছে বলে মনে হয় না।

রাত বেশি হওয়ায় এই প্রতিবেদনের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

Comments..
sidebar
আগের সংবাদ
পরের সংবাদ