‘খ’ সেটের বদলে ‘ক’: তিন হাজার পরীক্ষার্থীর কী হবে?

‘খ’ সেটে চলতি এইচএসসির প্রথম পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হলেও মাদারীপুরের কালকিনির উপজেলার তিনটি কেন্দ্রেই প্রশ্নপত্র পরিবর্তনের ঘটনা ঘটেছে। সেখানে ‘ক’ সেটে পরীক্ষা নেওয়া হয়। এই তিন কেন্দ্রে অংশ নেওয়া পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৩ হাজার ৮৪ জন।

কেন্দ্র তিনটি হলো কালকিনি সৈয়দ আবুল হোসেন কলেজ, শেখ হাসিনা একাডেমি অ্যান্ড উইমেন্স কলেজ ও ডিকে আইডিয়াল সৈয়দ আতাহার আলী একাডেমি অ্যান্ড কলেজ। আজ সোমবার ২ এপ্রিল দেশব্যাপী শুরু হয়েছে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা। প্রথম দিন ছিল এইচএসসির বাংলা প্রথম পত্রের পরীক্ষা।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক শিক্ষক প্রথম আলোকে বলেন, ‘বিষয়টি প্রথমে আমরা বুঝতে পারিনি। পরীক্ষা শেষে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থীর অভিভাবক আমাদের মুঠোফোনে বিষয়টি জানালে আমাদের টনক নড়ে। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও শিক্ষা কর্মকর্তাকে বিষয়টি জানাই।’

কালকিনি উপজেলার ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) প্রমথ রঞ্জন ঘটক বলেন, ‘একটি বার্তা ভুল বোঝার কারণে এটি হয়েছে। আমরা শিক্ষা বোর্ডে কথা বলেছি, বিষয়টি সমাধানের পথে।’
কীভাবে সমাধান করা হচ্ছে জানতে চাইলে ইউএনও বলেন, এই তিন কেন্দ্রের খাতাগুলো আলাদা করে রাখা হয়েছে। এসব খাতা সরাসরি বোর্ডে জমা দিয়ে এলে ‘ক’ সেট অনুযায়ী শিক্ষকেরা খাতা দেখবেন।

মাদারীপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. আজাহারুল ইসলাম বলেন, ভুলবশত ওই ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ঢাকায় কথা বলেছি। এতে পরীক্ষার কোনো ক্ষতি হবে না।

অভিভাবকেরা অভিযোগ করে বলেন, ‘এইচএসসি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র গুরুত্ব সহকারে দেওয়া উচিত। ভুল করে এর তো সমাধান সহজে করা যায় না। আমরা সবাই সঠিক পথে এর সমাধান চাই। যাতে কোনো পরীক্ষার্থীর কোনো সমস্যা না হয়।’

এ বিষয়ে কথা বলার জন্য কালকিনি সৈয়দ আবুল হোসেন কলেজের কেন্দ্রসচিব হাসানুল হক, শেখ হাসিনা একাডেমি অ্যান্ড উইমেন্স কলেজের কেন্দ্রসচিব জাকিয়া মুন্নি ও ডিকে আইডিয়াল সৈয়দ আতাহার আলী একাডেমি অ্যান্ড কলেজের কেন্দ্রসচিব মমতাজ বেগমের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তাঁরা কেউ ফোন ধরেননি।

Comments..
sidebar
আগের সংবাদ
পরের সংবাদ