খুলনায় নৌকা মঞ্চে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী

শনিবার খুলনায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। তাঁর এই সফরকে ঘিরে বর্ণিল রূপে সেজেছে খুলনা মহানগরী।

 

রঙ-বেরঙের ব্যানার, ফেস্টুন, তোরণের পাশাপাশি চোখ ধাঁধানো আলোকসজ্জায় উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে বন্দর নগরীতে। দীর্ঘ ৩ বছর পর খুলনায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী। দলীয় প্রধানকে বরণ করে নিতে খুলনাজুড়ে নানা আয়োজন। ইতোমধ্যেই বিপুল সংখ্যক তোরণ-ফেস্টুন ও প্যানায় ঢাকা পড়েছে নগরীর অধিকাংশ স্পট। এসব প্যানা-ফেস্টুন ও তোরণে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত ও শুভেচ্ছা জানিয়ে নেতা-কর্মীরা উন্নয়নের নানা শ্লোগান উপস্থাপন করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ওই দিন দুপুর দেড়টায় খুলনার সার্কিট হাউস ময়দানের জন সভায় ভাষণ দেবেন। তাঁর এই জনসভা উপলক্ষে ১১০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৩০ ফুট প্রস্থের নৌকা আকৃতির সভামঞ্চ তৈরি করা হয়েছে।

এতে প্রধানমন্ত্রী, জনসভার সভাপতি, উপদেষ্টা, মন্ত্রী পরিষদের সদস্য, সংসদ সদস্য, কেন্দ্রীয় নেতা ও সহযোগী সংগঠনের প্রায় ২৫০ শীর্ষ নেতার আসন থাকবে।

মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি তালুকদার আব্দুল খালেক এমপি জানান, জনসভার বড় চমক থাকবে কয়েক লাখ নারী কর্মীর উপস্থিতি। তিনি বলেন, জনসভায় অন্তত ১০ লাখ মানুষের জমায়েতের কথা ভাবছে স্থানীয় আওয়ামী লীগ। যার অর্ধেকই থাকবে নারী। নারী কর্মীরা সকলেই সার্কিট হাউস মাঠে অবস্থান করবেন। স্মরণকালের সর্ববৃহৎ লোকসমাগম হবে শনিবারের জনসভায়।

জনসভাস্থল পরিদর্শন করেন খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মো. হুমায়ুন কবীর পিপিএম। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন খুলনা সফরে নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে সার্বিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। তিন স্তরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়েছে। ঐ দিন প্রায় তিন হাজার পাঁচশ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবেন।

প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে নিরাপত্তা বিষয়ক পূর্ব প্রস্ততি ইতোমধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর খুলনা সফরের দিন নিরাপত্তার জন্য তাঁর চলাচলের রাস্তায় সকল প্রকার যানবাহন ও দোকানপাট সাময়িক বন্ধ থাকবে। সার্কিট হাউজের সম্পূর্ণ এলাকা এবং আশপাশ এলাকা সিসি ক্যামেরার আওতায় থাকবে।

জনসভাস্থলে আসার জন্য জনগণের যাতে কোন প্রকার অসুবিধা বা বিঘ্ন না ঘটে সেদিকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কঠোর নজরদারি রাখবে। মহিলাদের বসার জন্য আলাদা ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং তাদের নিরাপত্তায় মহিলা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিয়োজিত থাকবে। বিভিন্ন জেলা থেকে আগত যানবাহন রাখার জন্য নগরীতে বিভিন্ন পয়েন্টে পার্কিংয়ের ব্যবস্থা করা হবে।

Comments..
sidebar
আগের সংবাদ
পরের সংবাদ